ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

বাংলাদেশ
বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে আগামী ১২ এপ্রিল, শনিবার। রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি বিরল গণসমাবেশ, যেখানে রাজনীতিক, অরাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হবেন মানবতার স্বার্থে।

বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মিজানুর রহমান আজহারি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, "সম্ভবত এই প্রথমবারের মতো এমন একটি সম্মিলিত জমায়েত হতে যাচ্ছে যেখানে দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষ একই মোহনায় মিলিত হবেন ইনশাআল্লাহ।"

এই মহাসমাবেশে অংশ নিচ্ছে বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিশ ও খেলাফত আন্দোলনের মতো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনগুলো। পাশাপাশি থাকছেন তাবলীগ জামাত, আহলে হাদীস, হাইয়াতুল উলইয়া, বেফাকুল মাদারিস ও দারুন্নাজাত মাদরাসার প্রতিনিধিরাও।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন নানা অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বগণ—বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক, "আমার দেশ" পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, শায়খ আহমাদুল্লাহ, মামুনুল হক, সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করিম, আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, প্রফেসর মোখতার আহমাদসহ অনেকেই।

এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মাহমুদুল হাসান সোহাগ, জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আয়মান সাদিক, হাসনাত আব্দুল্লাহ, আরজে কিবরিয়া, কবি মুহিব খান, লতিফুল ইসলাম শিবলী প্রমুখ।

মিজানুর রহমান আজহারি সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন, “মানবতার জন্য এদিন আপনিও আসুন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কাছের মানুষকে আসতে উৎসাহিত করুন। সম্ভব হলে সন্তানকেও সঙ্গে আনুন—তারাও জানুক পবিত্র ভূমির মানুষের মর্মন্তুদ দুঃখগাথা।”

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, “বিপুল জমায়েতের সুযোগে কোনো অসাধু চক্র যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।”

এই মহাসমাবেশ যেন হয়ে ওঠে ঐক্যের প্রতীক, মানবতার কণ্ঠস্বর—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন দেশের সচেতন নাগরিকরা