ক্যান্টনমেন্টের বৈঠক ও আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের গুঞ্জন

রাজনীতি

ঢাকা, ২১ মার্চ ২০২৫ ইং  সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের সম্ভাবনা। ক্যান্টনমেন্টে অনুষ্ঠিত এক গোপন বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে সরব হয়েছেন পিনাকী ভট্টাচার্য,ফাহাম আবদুস সালাম,ড. কনক সরওয়ার সহ আরও অনেকে 

পিনাকী ভট্টাচার্য: ওয়াকার এখন আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছে  

পিনাকী ভট্টাচার্য তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, সামরিক মহলে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসনের জন্য সক্রিয় তৎপরতা চলছে।  তিনি লিখেছেন,  ওয়াকার এখন পুরোপুরি আওয়ামী পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ঢুকে গেছে, নিজেই সব লিড দিচ্ছে। ছাত্রদের বিরুদ্ধে চরিত্র হনন আর দুর্নীতির খবরগুলো কোত্থেকে আসছে, সেটাও একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন,  আওয়ামী লীগ আর ফিরবে না, ফিরতে দেওয়া হবে না।  

ফাহাম আবদুস সালাম: আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে স্বাভাবিকীকরণ করা যাবে না  

ফাহাম আবদুস সালাম তার ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই নির্বাচনী রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া উচিত নয়।  তিনি লিখেছেন,  আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হলে দেশ প্রপার সিভিল আনরেস্টের দিকে চলে যাবে।  তিনি আরও বলেন,  
নিরপরাধ আওয়ামী নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করা যাবে না।  

ড. কনক সরওয়ার: সেনাবাহিনীর ভেতরে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের পরিকল্পনা  

সাংবাদিক ড. কনক সরওয়ার তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, সেনাবাহিনীর ভেতরে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ কিছু কর্মকর্তা দলটিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি লিখেছেন,ওয়াকার নাকি তাঁর উইশডম দিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করবে! ইনক্লুসিভ নির্বাচনের নামে আওয়ামী পুনর্বাসনের পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত!  

তিনি আরও উল্লেখ করেন,  
হাসনাত আবদুল্লাহ সহ কয়েকজনকে ক্যান্টনমেন্টে ডেকে নেওয়া হয়েছে, যেখানে জেনারেল ওয়াকার তাদের বলেছেন, ‘তোমরা কিছুই জানো না, আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়।’  

 এই তিনজন ব্যক্তির বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনার একটি প্রচেষ্টা চলছে। যদিও সরকার ও সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য আসেনি, তবে রাজনৈতিক মহলে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।