খ্রিস্টান ধর্মের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস আজ স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে ভ্যাটিকানের কাসা সান্তা মার্তা বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছিলেন এবং ইতালির রোমের একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসাও চলছিল।
পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে বিশ্বনেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “তিনি ছিলেন বিনয়ের প্রতীক, সবসময় দুর্বল ও অসহায় মানুষের পাশে।”
ইউরোপীয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেইন বলেন, “পোপ তার নম্রতা ও কম ভাগ্যবানদের প্রতি পবিত্র ভালোবাসা দিয়ে ক্যাথলিক চার্চের বাইরেও লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।”
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার মৃত্যুতে “গভীরভাবে ব্যথিত” বলে শোক জানিয়েছেন।
পোলিশ প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক পোপকে স্মরণ করে বলেন, তিনি ছিলেন “ভালো, উষ্ণ এবং সংবেদনশীল” একজন মানুষ।
মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল সিসি পোপকে “শান্তি, ভালোবাসা এবং করুণার কণ্ঠস্বর” বলে অভিহিত করেন।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, “সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের প্রতি পোপ ফ্রান্সিসের অঙ্গীকার এক গভীর দৃষ্টান্ত রেখে গেছে।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুতে আমি শোকাহত। শান্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের প্রতি তার অঙ্গীকার এক গভীর দৃষ্টান্ত রেখে গেছে। শান্তিতে থাকুন।”
বিশ্বজুড়ে তার প্রভাব, বিনয় ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বহু মানুষের হৃদয়ে গভীর ছাপ রেখে যাবে।